মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

দর্শনীয় স্থান

ক্রমিক নাম কিভাবে যাওয়া যায় অবস্থান
ন-কাবা ছড়া ঝর্ণা ঢাকা থেকে শ্যামলী,মডার্ণ ও এস আলম বাসে করে কাপ্তাই এসে কাপ্তাই জেটিঘাটস্থ লঞ্চঘাট থেকে ইঞ্চিন বোটে করে বিলাইছড়ি আসবেন। বন্দর নগরী চট্রগ্রাম থেকে ৩/৪ ঘন্টার মধ্যে বিলাইছড়ি আসা যায়। কেউ চট্রগ্রাম থেকে বিলাইছড়ি আসলে বহদ্দারহাট বাস টার্মিনাল থেকে প্রথমত কাপ্তাই জেটিঘাটে আসবেন। এছাড়া রাঙ্গামাটি জেলা সদর থেকেও ইঞ্চিন বোটে করে বিলাইছড়ি যাওয়া যায়। প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৭ টায় রাঙ্গামাটির তবলছড়ি ঘাট থেকে ইঞ্চিনবোট যাএী নিয়ে সকাল ১০টার মধ্যে বিলাইছড়ি পৌঁছে। ওই বোটটি আবার বিলাইছড়ি থেকে দুপুর ২টার মধ্যে রাঙ্গামাটির উদ্দেশ্যে ছাড়ে। তাছাড়া বিলাইছড়ি থেকে সকাল সাড়ে ৭টায় রাঙ্গামাটির উদ্দেশ্যে ইঞ্চিন বোট ছেড়ে ওটি রাঙ্গামাটি তবলছড়ি ঘাট থেকে যাএী নিয়ে দুপুর ২টায় বিলাইছড়ির উদ্দেশ্যে ছাড়ে। বিলাইছড়ি হতে অপর একটি ইঞ্চিনবোট সকাল সাড়ে ৮টায় রাঙ্গামাটির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়ে ওটি রাঙ্গামাটি রিজাভর্ বাজার মসজিদ ঘাট থেকে তটায় বিলাইছড়ির উদ্দেশ্যে ছাড়ে।
রাইংখ্যং পুকুর যাতায়াত ব্যবস্থাঃ-ঢাকা থেকে শ্যামলী, মডার্ণ ও এস.আলম বাসে করে কাপ্তাই এসে কাপ্তাই জেটিঘাটস্থ লঞ্চঘাট থেকে ইঞ্জিনবোটে করে বিলাইছড়ি আসবেন। বন্দরনগরী চট্টগ্রাম থেকে ৩/৪ ঘন্টার মধ্যে বিলাইছড়ি আসা যায়। কেউ চট্টগ্রাম থেকে বিলাইছড়ি আসলে বহদ্দারহাট বাস টার্মিনাল থেকে প্রথমত কাপ্তাই জেটিঘাটে আসবেন। প্রতিদিন সাড়ে ৭ টায় রাঙ্গামাটির তবলছড়ি ঘাট থেকে ইঞ্চিনবোট যাত্রী নিয়ে সকাল ১০ টার মধ্যে বিলাইছড়ি পৌছেঁ। ওই বোটটি আবার বিলাইছড়ি থেকে দুপুর ২ টার মধ্যে রাঙ্গামাটির উদ্দেশ্যে ছাড়ে। এটি বিলাইছড়ি উপজেলার অন্তর্গত হলেও বিলাইছড়ি-ফারুয়া হয়ে এখানে যোগাযোগ করা অত্যন্ত কষ্টকর। কেউ চাইলেও পায়ে হাঁটা ছাড়া বিকল্প নেই। বিলাইছড়ি থেকে বড়থলি যেতে প্রায় ৭ দিন সময় লাগে। তাই এখানকার লোকজন বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলা দিয়ে এখানে আসা-যাওয়া করে।